প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ০৪:২৭ (শনিবার)
পবিত্র ওমরায় গিয়ে পলাতক আহমদের বিরোদ্ধে থানায় অভিযোগ

ওমরাহের জন্য সৌদিগমন করে পালিয়ে যাওয়া আহমদ ।

 

 

 

ষ্টাফ রিপোর্টার : পবিত্র ওমরাহের জন্য সৌদিগমন করে কৌশলে পালিয়ে যাওয়া আহমদ নামের জনৈকি ব্যাক্তিকে নিয়ে তোলপাড় চলছে। এঘটনায় নবীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আলোচিত ঘটনায় চরম বিপাকে পড়েছে দুটো ট্রাভেলস কোম্পানী। আলোচিত ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আহমদ নামের ওই প্রতারককে ধরিয়ে দিতে আহবান জানানো হয়েছে। অভিযোগ ও ট্রাভেলস সূত্র জানায়,উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের পাতাইরা লালপুর গ্রামের মোঃ ফিরুজ মিয়া খানের পুত্র মোঃ আহমদ খান গত বছরের ডিসেম্বর মাসের ১৭ তারিখ বিবিয়ানা ট্রাভেল্সের সহায়তায় পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি গমন করে।ওই ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী মোঃ আব্দুল বাছিত হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রীজে অবস্থিত হাবিব ট্রাভেলসের মাধ্যমে ওমরা ভিসায় মদিনা যায়।সেখানে গিয়ে সাথে থাকা মুয়াল্লিম মোঃ জাকারিয়াকে ফাঁকি দেয় পালিয়ে যায়। এঘটনায় বিবিয়ানা ট্রাভেলসের পরিচালক আব্দুল বাছিত গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর নবীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এখন পর্যন্ত আহমদ খানকে দেশে ফিরানো সম্ভব হয় নাই। ওদিকে,আগামী ১৭ মার্চের মধ্যে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনতে না পারলে অর্ধ কোটি টাকার লাইসেন্স বাতিল হবে। ফলে বিবিয়ানা ট্রাভেল্স ও হাবিব ট্রাবেল্স বিরাট ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।এনিয়ে দুই ট্রাভেলসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া কাজী মাওলানা হাসান আলী বলেন,আহমদ খাঁন ওমরাহ করার আগ্রহ প্রকাশ করায়ে একাধিকবার ওমরাহে গমন করার অভিজ্ঞতা থেকে তাকে ওই দুটো ট্রাভেলসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেই।বিপুল পরিমাণ টাকার জরিমানা থেকে বাঁচতে হলে দ্রুত আগামী ১৮ মার্চের মধ্যে দেশে ফিরতে হবে। না হলে ট্রাভেলস কোম্পানীর দ্বায়ভার আহমদকেই বহন করতে হবে। এ বিষয়ে তিনি তাঁর পরিবার,আত্বীয় স্বজন এবং সৌদি অবস্থানরত বাংলাদেশিদের সহযোগিতা চেয়েছেন।