প্রকাশিত: ০৪ মার্চ, ২০২৬ ০৮:২৪ (বৃহস্পতিবার)
নবীগঞ্জে মধ্যযোগীয় বর্বরতা,সরেজমিন দেখলেন ড.রেজা কিবরিয়া,পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ

কালাভরপুর গ্রামে ৭-৮টি পাকা বাড়িঘর ভাংচুর দেখে হতবাক বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য ড.রেজা কিবরিয়া।

 

ষ্টাফ রিপোর্টার : নবীগঞ্জে দেবপাড়া ইউনিয়নের কালাভরপুর গ্রামে মসজিদ নিয়ে বিরোধের জের হিসেবে গ্রাম ছাড়া প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা,লোপাট,অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের অনবদ্য নজির তৈরী হয়েছে।জনৈক আওয়ামীলীগ নেতার প্রত্যক্ষ মদদে এসব শুরু হয়েছে।অজ্ঞাত কারণে নিরব ভূমিকা পালন করছে পুলিশ।শান্তি শৃংখলায় বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের একাধিক প্রচেষ্টা ভন্ডুল হয়েছে। গতকাল দুপুরে মধ্যযোগীয় বর্বরতায় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটেযান নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়া। সরেজমনি ভাংচুর ও তান্ডবের ঘটনা প্রত্যক্ষ করে হতবাক তিনি।হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার ও থানার ওসিকে আগাম জানিয়ে ঘটনাস্থলে গেলেও সেখানে গিয়ে একজন এসআইকে দেখতে পান। স্থানীয় বিএনপি নেতা হায়দর আলী ও স্থানীয় লোকজন সংসদ সদস্যকে সার্বিক ঘটনার বর্ণনা দেন। ৭-৮টি পাকা বাড়িঘর ভাংচুরের তান্ড দেখে হতবাক হন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য ড.রেজা কিবরিয়া। আইন শৃংখলার চরম অবনতিতে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ,আওয়ামীলীগ নেতা ছালামত খাঁন ও যুবলীগ নেতা জাকির খাঁনের নেতৃত্বে ঘোষণা দিয়ে এসব কর্মকান্ড চালালেও পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক। এসময় পুলিশের এসআই কৌশিককে আইনী পদক্ষেপ নিয়ে জিজ্ঞেস করেন সংসদ সদস্য ড.রেজা কিবরিয়া।পুলিশের ওই এসআই কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। স্থানীয় সূত্র জানায়,উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের কালাভরপুর গ্রামে মসজিদ নিয়ে বিরোধের জের হিসেবে নেতৃত্ব নিয়ে বিভক্ত খাঁন গোষ্ঠীর নেপথ্যে ওই গ্রামের চৌধুরী গোষ্ঠী ইন্ধন দিয়ে পরিস্থিতিকে ঘোলাটে করছে। ক্ষতি গ্রস্থ লোকজনের দাবি,যুক্তরাজ্য প্রবাসী জনৈক আওয়ামীলীগ ও যুবলীগ নেতার আর্থিক সহায়তায় এসব তান্ডব চলছে।গত বছরের মার্চ মাস থেকে চলমান উত্তেজনা নিরসনে সেনাবাহিনী,উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,বিএনপি ও জামায়াত নেতারা একাধিকবার চেষ্টা চালালেও সালামত খাঁনের গ্রুপ বিরোধ নিরসনে সুযোগ দিচ্ছেনা। এর নেপথ্যে কলকাঠি নাড়ছে প্রবাসী ‍আওয়ামীলীগ ও যুবলীগ নেতা।শালিস প্রক্রিয়ায় যুক্তদের অভিযোগ পুলিশের জনৈক এক কর্তা ব্যাক্তির কারণেই বিরোধ নিস্পত্তি হচ্ছেনা। প্রতিপক্ষের ফসলি জমির পাকা ধান,বৃক্ষসহ বাড়িঘর লোপাট,অগ্নিসংযোগ শেষে এবার শুরু হয়েছে ভাংচুর।পুরুষ শূন্য বাড়িতে প্রবেশ করে সালামত বাহিনী একাধিকবার ধর্ষণের চেষ্টা করে। ব্যর্থ হয়ে ৭ জন মহিলাকে রক্তাক্ত জখম করে।এনিয়ে মামলা হলেও পুলিশে কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। আসামীরা আদালতে হাজির হলে বিজ্ঞ বিচারক সালামত খাঁনসহ আসামীদের জেল হাজতে প্রেরণ করেন। কয়েকমাস পূর্বে জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়িঘর ভাংচুর শুরু করে।দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানায়,বিগত কয়েকমাস ধরে হামলা,গুপ্ত হামলায় পরস্পর বিরোধী হাফডজন মামলা হলেও কাউকেই গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ । ৯৯৯ এর সুবাধে একাধিকবার ঘটনাস্থলে গেলেও দায়সার ভূমিকায় থাকে পুলিশ। বিদ্যমান দুই গ্রুপের সাথে সখ্যতা গড়ে বাণিজ্যে মেতে উঠার অভিযোগ উঠেছে ।