ছবি : সংগ্রীহিত
বার্তা সিলেট ডেস্ক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ দেশি-বিদেশি ৩১ বিশিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী অধিবেশনে নবনির্বাচিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম শোক প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্বও করেন তিনি। শোক প্রস্তাবে বলা হয়,২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর দেশ হারিয়েছে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়াকে। মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী এবং জাতীয় সংসদের সাবেক বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় তার অবদান চিরস্মরণীয়। জাতীয় সংসদ তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশি নেতাদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। এ তালিকায় রয়েছেন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস। এ ছাড়া অধিবেশনে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি এ. কিউ. এম. বদরুদ্দোজা চৌধুরীসহ মোট ৩১ জন সাবেক সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব আনা হয়। উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন,সাবেক সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী,সাবেক সেনাপ্রধান কে. এম. সফিউল্লাহ,সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান,গণফোরাম নেতা মোস্তফা মোহসীন মন্টু,বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে খন্দকার এবং রমেশ চন্দ্র সেনসহ মোট ৩১ জন বরেণ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। শোক প্রস্তাব উত্থাপনের পর প্রয়াতদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে সংসদে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে শোক প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। সংসদ সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে,এই শোক প্রস্তাবের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.