ছবি : সংগ্রীহিত
বার্তা সিলেট ডেস্ক : স্বস্তির বৃষ্টিতে সিলেট,মৌলভীবাজার,শ্রীমঙ্গল,রাজনগর ও কুলাউড়া,চুনারুঘাট,ও নবীগঞ্জ চা বাগানে প্রাণ ফিরে এসেছে। শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুর ১২টা শুরু হওয়া বৃষ্টি মৌলভীবাজার জেলায় ৩৬ দশমিক ৩ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই চা গাছে নতুন কুঁড়ি গজাবে যাবে বলে জানিয়েছেন চা উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টরা। চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা বলেন,প্রতি বছর চা গাছগুলোর মাথা নির্দিষ্ট মাপ অনুসারে ছেঁটে ফেলা হয়। তারপর চলে অপেক্ষার পালা। বৃষ্টির ফলে রোপণ করা নতুন চারাগুলো সুরক্ষিত হয়। এসব গাছে ৩-৪ দিনের মধ্যে নতুন কুঁড়ি দেখা দেয়। প্রত্যাশার বৃষ্টি না হওয়ায় চা বাগানগুলোতে গাছ মরে যাচ্ছিল।
দীর্ঘখড়ায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ বাগানের চারা গাছ নষ্ট হয়ে গেছে। কাঙ্ক্ষিত নতুন কুঁড়ি বা চা পাতার অভাবে অধিকাংশ কারখানা চালু করা যায়নি। এতে গেল বছরের মতো এ বছরও চায়ের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে সংশয় ছিল। অবশেষে বৃষ্টিতে প্রাণ ফিরেছে বাগানগুলোতে। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আনিসুর রহমান বলেন,চলতি মাসে ৩৬.৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। গত বছরের মার্চে এসে মাত্র ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর আগের বছরের মার্চ মাসে ৪৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। গত কয়েক মাসে এ অঞ্চলে কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। এতে জেলার সবকটি চা বাগান খরার কবলে পড়েছে। ওদিকে,একাধিক চা বাগান ব্যবস্থাপক জানান,নিয়ম অনুযায়ী চায়ের অধিক উৎপাদনের লক্ষ্যে শীত মৌসুমে চা গাছ নানা পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রুনিং করা হয়ে থাকে (চা গাছ ছাঁটাই)। এ বছরও মৌলভীবাজারের বাগানের চা গাছ নিয়ম মতোই প্রুনিং হরা হয়। পরবর্তীকালে সার এবং ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে অথবা মার্চ এসে বৃষ্টিপাত হলেই গাছে গাছে সবুজ পাতায় ভরে উঠে।’ ফিনলে টি কোম্পানির ভাড়াউড়া ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক গোলাম মোহাম্মদ শিবলি বলেন,যতটুকু বৃষ্টিপাত হয়েছে তাতে আমরা স্বস্তিবোধ করছি। কিছুদিন আগে এই চা গাছের মাথা ছাঁটাই করা হয়েছিল। রুক্ষভাব দেখা গিয়েছিল চা বাগানে।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.