প্রকাশিত: ১৭ মার্চ, ২০২৬ ১০:৫৬ (বুধবার)
নবীগঞ্জে পরকিয়ার জের,শাশুড়িকে হত্যা,পুত্রবধু গ্রেপ্তার

পরকিয়া প্রেমিক নিয়ে শাশুড়ি হত্যাকান্ডে জড়িত গৃহবধু তামান্না।

 

ষ্টাফ রিপোর্টার : নবীগঞ্জে চ্যাঞ্চল্যকর ফেরদৌসী হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন হয়েছে। পুত্রবধুর পরকিয়ার জের হিসেবে এ ঘটনা ঘটেছে মর্মে নিশ্চিত হয়েছে আইন শৃংখলা বাহিনী। গত রবিবার দিবাগত রাতে উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের লামড়ির পাড় গ্রামে এঘটনা ঘটে। ওই দিন পুত্রবধুর সাথে সেহরী খেয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন ফেরদৌসী চৌধুরী। নিহত ফেরদৌসী ইসলাম ওই গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী।আলোচিত ঘটনায় নিজের পুত্র দুবাই প্রবাসী রফিকুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী তামান্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়,সোমবার সকালে লামড়ীর পাড়ের নিজ বসতঘর থেকে ফেরদৌসীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় তার হাত-পা বাধা এবং মুখে কষ্টেপ লাগানো ছিল।পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করে।এরই জের হিসেবে মঙ্গলবার সকালে গৃহবধু তামান্নাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এসময় ওই গৃহবধু জানায়,টিকটকের সূত্রধরে সুনামগঞ্জ জেলার জনৈক এক ছেলের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।রবিবার দিবাগত রাতে পরকিয়া প্রেমিক তার দুজন বন্ধুকে নিয়ে তামান্নার সাথে দেখা করতে আসে।এক পর্যায়ে তারা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা চায়।ঘটনার সময় ফেরদৌসীর ঘুম ভেঙ্গে গেলে তিনি চিৎকার শুরু করেন।এসময় গৃহবধু তামান্না ও পরকিয়া প্রেমিকসহ কয়েকজন মিলে তার হাত-পা বেঁধে এবং মুখে কষ্টেপ লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফারুক মিয়া বাদী হয়ে তামান্না আক্তার ও তার পরকিয়া প্রেমিকসহ ৪/৫ জনের বিরোদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।সার্বিক বিষয়ে নবীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ মোনায়েম বলেন,পুত্র বধুকে আটক করা হয়েছে। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড।আলোচিত ওই গৃহবধু আদালতে স্বীকারেোক্তি দিয়েছে।ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।