বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির।
ষ্টাফ রিপোর্টার : বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির বলেছেন,হবিগঞ্জ-১ নির্বাচনী এলাকার মানুষ খুবই ভাগ্যবান।একজন ভালো মানুষ আপনারা প্রার্থী হিসেবে পেয়েছেন।উন্নয়নের জন্য চিন্তা করতে হবেনা।ড, রেজা কিবরিয়া বিজয়ী হলে এবং বিএনপি সরকার গঠন করলে আরও ভালো কিছু পেতে পারেন।পলাতক ফ্যাসিষ্টরা দেশকে ফুকলা করে দিয়েগেছে। দেশে কোন আইনের শাসন ছিলনা। সাধারন মানুষের নিরাপত্তা ছিলনা। চরম অরাজকতা আর বিশৃংখলায় দেশ নিমজ্জিত ছিল। ২৪ এর গণঅভুত্থান আমাদেরকে সুযোগ এনে দিয়েছে।দেশ নায়ক তারেক রহমান উন্নত বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন দেখছেন।সেই স্বপ্নের স্বারথী হতে অবশ্যই বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড.রেজা কিবরিয়াকে বিজয়ী করতে হবে। তিনি বলেন,জান্নাতি টিকেট,গুপ্ত আর ষড়যন্ত্র কিছুতেই কাজ কাজ হবেনা। ইনশাল্লাহ ধানের শীষের ভূমি ধবস বিজয় হবে।গতকাল বিকেলে শহরের করিম রেষ্ট হাউজের সামনে সর্বশেষ নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ মতিউর রহমান পিয়ারা।সিলেটের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব জিকে গউছ বলেন,সিলেট বিভাগের ১৯টি আসন আমরা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই। দলের প্রতি আনুগত্য থেকে এবং শৃংখলা মেনে সবাইকে একযুগে কাজ করে যেতে হবে।প্রতিটি ভোট কেন্দ্র পাহাড়ায় রাখতে হবে। ষড়যন্ত্রকারীরা থেমে নেই। ভোটের ফলাফল নিয়ে ভোট কেন্দ্র ত্যাগ করার আহবান জানান তিনি।বিএনপির দলীয় প্রার্থী বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড.রেজা কিবরিয়া বলেন,নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের স্বপ্ন এবং পরিকল্পনা নিয়েই এখানে এসেছি। যোগাযোগ ব্যবস্থা,শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে চমক সৃষ্টি হবে। এমন উন্নয়ন হবে,যা মানুষ আগে কখনও দেখেনি।খেলাধুলার উন্নয়নে নির্বাচনী এলাকার দুটো উপজেলায় মডেল ষ্টেডিয়াম স্থাপন করা হবে।বেকারত্ব গোছাতে বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হবে।তিনি বলেন,জাতীয় পর্যায়ে আমার বিরোধী লোকজন সক্রিয় রয়েছে। স্থানীয় ভাবে আমার কোন সক্রিয় নেই।তিনি উপস্থিত সকলকে পরিবার ও স্বজনদের নিয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার আহবান জানান। উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মজিদুল করিম মজিদ সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন,নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান চৌধুরী শেফু,নবীগঞ্জ পৌর সভার সাবেক মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমদ চৌধুরী,যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি লিডার লেখক ও সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ ছোটন,কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ মখলিছুর রহমান,উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি বয়াতুল্লাহ,সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক অলিউর রহমান অলি,বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহেদ তালুকদার,উপজেলা শ্রমিকদলের আহবায়ক মোর্শেদ আহমদ,পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল আলীম ইয়াছিনী,যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিন,ঢাবি ছাত্রদল নেতা মায়েদ,হবিগঞ্জ জেলা ছাত্র দলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমদ রিংগন,উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মুশাহিদ আলম মুরাদ,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জোসেফ বখত চৌধুরী,পৌর যুবদলের আহবায়ক আলমগীর মিয়া,জহিরুল ইসলাম ছোহেল,ছাত্রদল নেতা সাইফুর রহমান রাজন,উপজেলা ছাত্রদল নেতা নাবেদ মিয়া,তৌহিদ চৌধুরী,জামিল আহমদ প্রমূখ।উল্লেখ্য,নবীগঞ্জ উপজেলা ছাড়াও ওই দিনে বাহুবলের মীরপুর স্কুল মাঠেও বিশাল নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়।জনসভাগুলো জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.