স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব শেখ সুজাত মিয়া।
মাহি আমিন : হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) নির্বাচনী এলাকায় নতুন মেরুকরণ তৈরী হয়েছে। ১০ দলীয় জোট থেকে প্রার্থী বদলের পরই ওই সমীকরণ তৈরী হয়। ২০ জানুয়ারী এখান থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন ১০ দলীয় জোটের হেভিওয়েট প্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এডভোকেট শাহজাহান আলী। টান টান উত্তেজনার শেষ মুহুর্তে তিনি ১২ ঘন্টার নোটিশে মনোনয়ন প্রতাহার করেন। এখান থেকে জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন বাংলাদেশ খেলাফথ মজলিসের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মীরপুরী। অপর দিকে মনোনয়ন প্রত্যাহার থেকে বিরত থাকেন সাবেক এমপি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী (বহিস্কৃত) সদস্য আলহাজ্ব শেখ সুজাত মিয়া। দল তাকে বহিস্কার করলেও নির্বাচনী প্রতীক (ঘোড়া) নিয়ে মাঠে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। দুই দফা তারেক রহমানের সাথে দেখা করেও মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় রহস্য ধানা বেধে উঠেছে। তার পেছনে শক্তিশালী সমর্থন রয়েছে মর্মে আলোচনা রয়েছে। এছাড়াও সাধারন মানুষের কাছে রয়েছে তার ঈর্ষনীয় জনপ্রিয়তা। তাকে নিয়ে বাজিমাত করতে নানা পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। ২২ জানুয়ারী রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি এক আবেগঘন বার্তা পোষ্ট করেন। মুহুর্তেই তার ওই পোষ্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এতি তিনি লিখেন,
আমি নিজ দল ত্যাগ করে আজ আপনাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছি। আজ আমার আর কোনো দল নেই।আপনারাই আমার দল, আপনারাই আমার শক্তি। জীবনের শেষ বয়সে আপনারাই আমার শেষ ভরসা। আপনারা চাইলে আমাকে সম্মানিত করতে পারবেন, আপনারা চাইলে আমাকে বিজয়ী করে আমার দল পূনরায় আবার আমাকে দলে বিবেচনা করবে। আল্লাহর ওয়াস্তে, আপনাদের কাছে আমি ভোট ভিক্ষা চাইছি। আমি জানি,একেকটা ভোট একেকটা আমানত। ইনশাআল্লাহ, আমি আপনাদের সেই আমানতের কোনোদিন খেয়ানত করবো না। আমি কথা দিচ্ছি,নবীগঞ্জ–বাহুবলের সেবায় আমার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিজেকে বিলিয়ে দেবো। সুখে-দুঃখে, ভালো-মন্দে সবসময় আপনাদের পাশেই থাকবো, সারাজীবন আপনাদের গোলাম হয়ে থাকবো ইনশাআল্লাহ। পোষ্টের কমেন্টস বক্সে নেটিজেনরা ওই বার্তাকে নির্বাচনের মাঠে নতুন হাওয়া হিসেবে অভিহিত করেন।
সিলেট থেকে আরো পড়ুন
