রাজনীতি

ভোটে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের রাজসাক্ষী সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা: তাহের

প্রকাশ: ০৫ মার্চ ২০২৬ ০৮:০৬

 

বার্তা সিলেট ডেস্ক :  সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ‘স্বঘোষিত রাজসাক্ষী’ উল্লেখ করে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে মগবাজারস্থ দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানিয়েছেন,বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেন, অন্তবর্তী সরকারের আরেক উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান লন্ডন যড়যন্ত্রের প্রধান হোতা। কাজের পুরস্কার হিসেবে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন। তাকে অপসারণ করার পাশাপাশি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের জিজ্ঞাসাবাদ করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্য,জুলাই সনদ’ নিয়ে সরকারি দল তথা বিএনপির অবস্থান এবং সংসদ অধিবেশন ইস্যু নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সম্মেলনে তাহের বলেন,১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাহ্যিকভাবে মোটামুটি গ্রহণযোগ্য মনে হলেও সন্ধ্যা থেকে খবর আসতে থাকে,নানা জায়গায় কেন্দ্র দখল ও জাল ভোট দেয়া হয়েছে। আমাদের এজেন্টদের জোর করে বের করে দেয়া হয়েছে এবং অনেক জায়গায় শুরুতে ঢুকতেই দেয়া হয়নি। প্রিসাইডিং অফিসার ও এজেন্টদের যোগসাজশে ব্যালট কাটার ব্যাপক অনিয়মের খবর আমাদের কাছে এসেছে। প্রায় ৫৩টি আসনে আমরা অফিশিয়ালি অভিযোগ দাখিল করেছি এবং আইনি লড়াই অব্যাহত রাখবো। গতকাল আমরা একজন ‘রাজসাক্ষী’ পেয়েছি উল্লেখ করে জামায়াতের এই নায়েবে আমির বলেন,সেই রাজসাক্ষী হচ্ছেন সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রিজওয়ানা হাসান। তিনি একজন সাংবাদিকের কাছে প্রকাশ করেছেন যে,যারা তার ভাষায় নারীদের উপযুক্ত অধিকার নিশ্চিত করতে পারেনি,তারা বিরোধী দলে থাকলেও তাদের মূলধারা বা প্রধান শক্তি হিসেবে আসতে দেয়া হয়নি।

জামায়েত নেতা লেন,অন্তর্বর্তী সরকার নিজেকে নিরপেক্ষ দাবি করলেও তাদের ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। নীতিগতভাবে কথা ছিল যে,উপদেষ্টারা পরবর্তী কোনো দলীয় সরকারে অংশগ্রহণ করবেন না। অথচ সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান প্রথম দিনেই পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন,যা তার আগের শপথের পরিপন্থী। এটা স্পষ্ট যে,খলিলুর রহমান ছিলেন ‘লন্ডন কন্সপিরেসি’র প্রধান। সেখান থেকে তিনি ষড়যন্ত্র করে বর্তমান সরকারকে সুবিধা দেয়ার জন্য কাজ করেছেন এবং পুরস্কার হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ পেয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার,সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন,কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিশির মনির এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও প্রচার বিভাগের সদস্য জাহিদুর রহমান।

 

 

রাজনীতি থেকে আরো পড়ুন