সিলেট

নবীগঞ্জে হাম*লা,পাল্টা হাম*লা ও অগ্নি*সংযোগের অভিযোগ

প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৬ ০৯:১৩

দুই পক্ষের সংঘর্ষ থামাতে আইন শৃংখলা বাহীনির সাথে ইউপি চেয়ারম্যান নোমান আহমদ।

 

ষ্টাফ রিপোর্টার : নবীগঞ্জে উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য কাকুড়া গ্রামের সফলু মিয়ার দোকানঘরে হামলা,লোপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। অপরদিকে,সাবেক ওই ইউপি সদস্য মোঃ ফজলু মিয়ার নেতৃত্বে বাড়ি থেকে ডেকে এনে সালেহ আহমদ নামের এক যুবককে কুপিয়ে গুরুতর জখমের অভিযোগ উঠেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের কাকুড়া-করিমপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সজলু মিয়া বলেন,রাতের কাকড়া গ্রামের ফারুল ইসলাম,ইলাছ উদ্দিন,জোবায়ের,আলী হোসেন,ধন মিয়া ও আবুল কালামের নেতৃত্বে শতাধিক লোক সংঘবদ্ধ হয়ে তার দোকানঘরে প্রকাশ্যে হামলা চালায়।হামলাকারীরা দোকান ভাঙচুর করে  এবং মূল্যবান কাপড় লুটপাট করে এবং পরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে তার প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তিনি জানান,সোমবার সকালে তার বসতবাড়ি ভাঙচুরের প্রস্তুতি চলছিল। বিষয়টি সেনাবাহিনীকে জানালে সেনাবাহিনী ও ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ি পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তাদের উপস্থিতিতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়। তবে সেনাবাহিনী চলে যাওয়ার পর আবারও হামলাকারীরা দোকানে ভাঙচুর শুরু করে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সজলু মিয়ার অভিযোগ,হামলাকারীরা তাকে এলাকা ছাড়া করার পাঁয়তারা করছে এবং তাকে হত্যার হুমকিও দিয়েছে। এতে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।অপরপক্ষের,ইলাছ উদ্দিন বলেন,সজলু মিয়া সরকারি পতিত জমিতে দোকানঘর নির্মাণ করেছেন। স্থানীয় সূত্র জানায়,রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দিকে ফজলু মিয়ার চাচাতো ভাই সুহেল মিয়াকে রুজেন মিয়া নামে এক ব্যক্তি গাঁজাসহ আটক করেন। এ সময় তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় সালেহ আহমদ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। অভিযোগ রয়েছে, এর জের ধরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোঃ ফজলু মিয়ার নেতৃত্বে সুহেল মিয়াসহ ১০/১২  জন সালেহ আহমদকে জরুরি কাজের কথা বলে তার বাড়ি থেকে ডেকে বের করেন। বাড়ির সামনে আসার পরই তারা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা চায়নিজ কুড়াল দিয়ে মাথায় আঘাত করে এবং দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে তার একটি হাত ভেঙে যায় এবং মাথায় গুরুতর জখম হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময়  হামলাকারী  নগদ অর্থ   লুঠে নিয়ে যান ও তার  ব্যবহারকৃত দাবি মোবাইল  আই ফোন  ভাংচুর  করে।  মোঃ ফজলু মিয়ার প্রভাবে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে সরকারি জমি ও খেলার মাঠ দখল করে ঘর নির্মাণ,নিরীহ লোকজনকে নির্যাতন,অসহায়দের  অর্থ আত্মসাতসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

সিলেট থেকে আরো পড়ুন