সিলেট

সুনামগঞ্জ ও নবীগঞ্জে বজ্রপাতে ৬ কৃষকের মৃত্যু

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ১০:১৬

ছবি : সংগ্রীহিত

 

সুনামগঞ্জ ও নবীগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলায় ধান কাটার সময় বজ্রপাতে ছয় কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন,তাহিরপুর উপজেলার আবুল কালাম (২৫) জামালগঞ্জ উপজেলার নাজমুল হোসেন (২৬) ধর্মপাশা উপজেলার হাবিবুর রহমান (২৪) ও রহমত উল্লাহ (১৩) ও দিরাই উপজেলার লিটন মিয়া (৩৮)। শনিবার দুপুরে জেলার তাহিরপুর,জামালগঞ্জ,ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলার পৃথক হাওরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি শুরু হলে কৃষকরা হাওরে ধান কাটছিলেন। এ সময় তাহিরপুর উপজেলার মাটিয়ান হাওরে বজ্রাঘাতে আবুল কালাম গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এখবর নিশ্চিত করেন তাহিরপুর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম। এছাড়াও  হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে সুনাম উদ্দিন (৬০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত সুনাম উদ্দিন ওই ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের মৃত সুন্দর আলীর পুত্র। শনিবার দুপুরে উপজেলার বড় ভাকৈর (পূর্ব) ইউনিয়নের বিবিয়ানা নদীর তীরবর্তী মমিনা হাওড়ে এর্ঘটনা ঘটে। বড় ভাকৈর (পূর্ব) ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জুয়েল মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। থানার ওসি মো. মোনায়েম মিয়া জানান, বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে।

নিহতদের পারিবারিক সূত্র জানায়,জামালগঞ্জ উপজেলার পাগনার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে নাজমুল হোসেন নিহত হন। তিনি চানপুর গ্রামের বাসিন্দা।  এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জামালগঞ্জ থানার ওসি বন্দে আলী। ধর্মপাশা উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় হাবিবুর রহমান ও রহমত উল্লাহ নিহত হন। হাবিবুর রহমান পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। রহমত উল্লাহ জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতীপুর গ্রামের বাসিন্দা। ধর্মপাশা থানার ওসি মোহাম্মদ সহিদ উল্যাহ বলেন,আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দিরাই উপজেলার কালিয়াগোটা (আতরার) হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে লিটন মিয়া গুরুতর আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. প্রশান্ত দাস তালুকদার।

সিলেট থেকে আরো পড়ুন