আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধ বন্ধে কংগ্রেসের কড়া বার্তা

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬ ০৫:২০

ছবি : সংগ্রীহিত

 

বার্তা সিলেট ডেস্ক : ইরানের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অবিলম্বে বন্ধের জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি নির্দেশমূলক একটি বিল পাস করেছে মার্কিন সিনেট। সেখানে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে একটি প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে।যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়,গতকাল মঙ্গলবার ৫০-৪৮ ভোটে বিলটি পাস হয়। এর আগে,এই মাসের শুরুর দিকে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদেও (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) বিলটি পাস হয়েছিল বলে জানা যায়।  এই বিল পাসের মাধ্যমে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির সদস্যদের একাংশের মধ্যে চলমান এই অজনপ্রিয় যুদ্ধ নিয়ে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ ও উদ্বেগের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠে। উল্লেখ্য, সিনেটে বর্তমানে রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ অবস্থানে রয়েছেন। তাদের মধ্যে চারজন রক্ষণশীল দলের বাইরে গিয়ে এ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। এছাড়া একজন বাদে বাকি সব ডেমোক্রেট সদস্যরা এতে সমর্থন জানান। ওদিকে,দলের বাইরে গিয়ে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়া চার রিপাবলিকান হলেন লুইসিয়ানার বিল কাসিডি,আলাস্কার লিসা মুরকোস্কি,মেইনের সুসান কলিন্স এবং কেনটাকির র্যান্ড পল। তবে কেনটাকির মিচ ম্যাককনেল এবং পেনসিলভেনিয়ার ডেভ ম্যাককরমিক নামের দুইজন রিপাবলিকান ভোট দেননি।

ইরান-মার্কিন যুদ্ধ প্রসঙ্গে ডেমোক্রেট নেতা চাক শুমার বলেন,বছরের পর বছর ধরে ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি এই বিপর্যয়কর যুদ্ধের মাধ্যমে আমেরিকান জনগণের জন্য কেবল সর্বোচ্চ বিভ্রান্তি,বিশৃঙ্খলা এবং সর্বোচ্চ ক্ষয়ক্ষতি ছাড়া কিছুই অর্জন করতে পারেননি। তিনি বলেন,ট্রাম্পের এই ঐতিহাসিক ভুলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। এ ঘটনা আমেরিকার ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট পদক্ষেপ হিসেবে ইতিহাসে লেখা থাকবে। এছাড়া হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেছেন,৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর আমেরিকান বাহিনী প্রত্যাহার না করার মতো কোনো শত্রুতার পরিস্থিতি এখন নেই। যুদ্ধ সংক্রান্ত এ প্রস্তাবে ইরানের বিরুদ্ধে শত্রুতা বন্ধ করে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীকে সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যদিও কংগ্রেসের অনুমোদন পেলে ট্রাম্প ইরানে আবার সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্রদের ওপর আসন্ন কোনো হামলা প্রতিরোধের জন্য সীমিত সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

 

আন্তর্জাতিক থেকে আরো পড়ুন