রাজনীতি

৫ শতাংশ আসনে নারী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে জামায়াত

প্রকাশ: ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৩:২২

৫ শতাংশ আসনে নারী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে

 

বার্তা সিলেট ডেস্ক :   জুলাই জাতীয় সনদের অঙ্গীকার মোতাবেক ৫ শতাংশ আসনে নারী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এনিয়ে এখনো কোন কিছূ সুরাহা করতে পারেনি দলটি। সনদ অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কমপক্ষে ৫ শতাংশ নারীকে মনোনয়ন দেয়ার অঙ্গীকার রয়েছে। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সংসদের ৩০০ আসনে নারী প্রার্থী থাকতে হবে অন্তত ১৫ জন।  ইতিমধ্যেই দলটি ৩০০ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। সেখানে একজনও নারী প্রার্থী দেয়নি জামায়াত। দলটির নীতিনির্ধারণী ফোরামে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে ২-৩ জন নারী প্রার্থী গুরুত্ব পেয়েছে। ইসলামিক নিয়ম ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা মেনে নারী প্রার্থী দেয়া চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন জামায়াত নেতারা।

দলীয় সূত্র জানায়, জামায়াতে ইসলামীর তরফে এখন পর্যন্ত কোনো নারী প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়নি। শূন্য শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব তাদের আদর্শিক ও রাজনৈতিক অবস্থানের সুস্পষ্ট প্রতিফলন। যদিও জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি নীতিনির্ধারণী  বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু মনোনয়নের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেও নারী প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়নি। একই সঙ্গে জামায়াত নেতৃত্বাধীন আট দলের জোটেও নেই নারী প্রার্থী। জামায়াতে ইসলামী একটি ইসলামী অনুশাসন মেনে চলা দল। সেখানে নারীদের প্রার্থী দেয়া সংগঠনের পক্ষ থেকে খুবই চ্যালেঞ্জ। এ ছাড়া নারী প্রার্থীরা সভা-সমাবেশে গিয়ে ইসলামিক নিয়ম মেনে বক্তব্য এবং ভাষণসহ আনুষঙ্গিক কাজ সুচারুভাবে শেষ করা কঠিন কাজ।  একই সঙ্গে প্রার্থী হওয়ার অনাগ্রহ বিষয়টাও তো রয়েছেই। তবে ইসলামিক নিয়ম, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও যোগ্যতা দেখে প্রার্থী খোঁজা হচ্ছে।

আলোচনায় নারী প্রার্থীরা : জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি শিক্ষাবিদ অধ্যাপিকা নুরুন্নিসা সিদ্দিকার নাম এসেছে আলোচনায়। তবে কোন আসন থেকে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তা জানা যায়নি। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য সাবেক এমপি ডা. আমিনা রহমানের নামও আলোচনায় রয়েছে। তার আসন সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ মহিলা বিভাগ জামায়াতের সিনিয়র সদস্য কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য সাবেক এমপি শাহান আরা বেগম এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও জামায়াতের মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি ব্যারিস্টার সাবিকুন্নাহারের নামও আলোচনায় এসেছে। তাদেরও যেকোন এলাকা থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।

রাজনীতি থেকে আরো পড়ুন