আন্তর্জাতিক

৩০ দিনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ চায় ইরান

প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬ ১১:০০

ছবি : সংগ্রীহিত

 

বার্তা সিলেট ডেস্ক : ইরানের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দেয়া সর্বশেষ ১৪ দফার প্রস্তাবে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অমীমাংসিত সব ইস্যুর সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে। এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নয়, বরং যুদ্ধের চিরস্থায়ী অবসান ঘটানো কথা জানিয়েছে ইরান। রবিবার (৩ মে) কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।ইরানের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা নূর নিউজ বলেছে,যুক্তরাষ্ট্রের ৯ দফার পরিকল্পনার পাল্টা জবাব হিসেবে এই ১৪ দফার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এতে ইরানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার,নৌ-অবরোধের অবসান,মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং লেবাননে ইসরায়েলি যুদ্ধসহ সব ধরনের বৈরিতার অবসানের দাবি জানানো হয়েছে। গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। চলমান তিন সপ্তাহের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এখনও বজায় রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওদিকে,রবিবার ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদির সঙ্গে টেলিফোনে যুদ্ধবিরতি ও দ্বিপাক্ষিক অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। যুদ্ধের আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কয়েক দফার আলোচনায় মধ্যস্থতা করেছিল ওমান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানে ইরানের নতুন প্রস্তাবটির দ্বিতীয় ধাপে বলা হয়েছে,নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ার পর ইরান ‘শূন্য-মজুদ নীতি’ অনুসরণ করে পুনরায় ৩.৬ শতাংশ হারে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু করবে। পরিকল্পনায় বলা হয়েছে,ইরান ও তার মিত্রদের ওপর হামলা চালানো থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে বিরত থাকতে হবে,বিনিময়ে ইরানও কোনও ধরনের হামলা চালাবে না। প্রস্তাবে ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো ভেঙে ফেলা বা দেশটির স্থাপনাগুলো ধ্বংস করার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে জব্দকৃত অর্থ পর্যায়ক্রমে ছেড়ে দেয়ার কথা বলা হয়েছে। তৃতীয় ধাপে আরব প্রতিবেশী এবং এই অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে কৌশলগত সংলাপে বসার প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান। যার লক্ষ্য হবে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।         সূত্র : আল জাজিরা।

 

আন্তর্জাতিক থেকে আরো পড়ুন