লন্ডনী মিনালের মামলায় শিক্ষক ও সাংবাদিক আসামী
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও এলাকায় ক্ষোভ
প্রকাশ: ২৫ নভেম্বর ২০২৫ ০৪:১৫
কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই বিশিষ্ট সাংবাদিক ও শিক্ষক এম এ বাছিতকে আসামীভুক্ত করায় তীব্র প্রতিক্রিয়া
ষ্টাফ রিপোর্টার : উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের কনকারী পাড়া গ্রামে মালিকানাধীন জমির ধানকাটার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই বিশিষ্ট সাংবাদিক ও শিক্ষক এম এ বাছিতকে আসামীভুক্ত করায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মামলার বাদী লন্ডনী মিনাল পরিবারের সাথে কোন প্রকার আত্বীয়তা বা সংশ্লিষ্টতা না থাকার পরও কিভাবে সাংবাদিক এম এ বাছিত আসামী হলেন তা নিয়ে উপজেলার সর্বমহলে উদ্ধেগ দেখা দিয়েছে।ঐতিহাসিক ৫ই আগষ্ঠের পর পুলিশের এমন ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।বৈধ কাগজপত্রে মালিকানাধীন কৃষি জমিতে বপনকৃত ধান কাটার সময়ে মামলা বা আদালতের নিষেধাজ্ঞা না থাকার পরও ৯৯৯ এ অভিযোগের নামে পুলিশ নিয়ে বাঁধা দেয় মিনাল চৌধুরী। এছাড়াও গভীর রাত পর্যন্ত লন্ডনী মিনালের থানায় অবস্থান (থানার সিসি ক্যামেরায় সুরক্ষিত) ও মামলার ঘটনায় তোলপাড় চলছে। এনিয়ে উপজেলা বিএনপির তরফে জরুরী সভার মাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় কুর্শি ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এলাকার সাধারন মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। চলমান উত্তেজনা নিরসনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন এবং এএসপি (নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেল) যোগাযোগ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সাধারন সম্পাদক ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদুর রহমান খালেদের সাথে। তিনি শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গকে প্রশাসনিক যোগাযোগের কথা অবহিত করেন।চলমান বার্ষিক পরীক্ষা ও আইন শৃংখলায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন এবং এএসপি (নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেল) এর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাসে সাময়িক সময়ের জন্য সকল কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।এঘটনায় উপজেলা বিএনপির তরফেও তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে। প্রশাসনের উবধতন কর্তৃপক্ষ বাস্তবতার নিরিখে দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন এমনটাই প্রত্যাশা করেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। মামলায় প্রধান অভিযুক্ত মবু মিয়া বলেন,প্রয়াত গোলাম রব্বানীর উত্তরাধিকারীদের নিকট থেকে লিখিত চুক্তির ভিত্তিতে অত্র ফসলী জমিতে দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদ করে আসছে। এবারও জমিতে চাষাবাদ করি। কেউ কখন আমাকে বাঁধা প্রদান করেনি। পাকা ধান কাটতে গেলে থানার এসআই সুমনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ আমাকে বাঁধা প্রদান করে। আমি বৈধ কাগজপত্রের কথা বললেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয়। যা ভিডিও ফুটেজে সংরক্ষিত রয়েছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন,আমি বিএনপির রাজনীতি করি। এছাড়াও একজন কৃষক। আমাকে আসামী দেয়া হয়েছে দুঃখ নেই। আমার স্ত্রীকেও কেন আসামী দেয়া হলো ? এটাই কি ৫ আগষ্ঠ পরবর্তী পুলিশের নৈতিকতা ?
সিলেট থেকে আরো পড়ুন
