সচিবালয়ে ব্রিফিং : ভোটের মাঠে ১ লাখ সেনাসহ ৮ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত
প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ ০৫:৫৮
সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ২০তম সভা।
বার্তা সিলেট ডেস্ক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৮ লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর ১ লাখ, নৌ-বাহিনীর ৫ হাজার,বিমান বাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ (স্থলভাগে ১ হাজার ২৫০), পুলিশের ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪, বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) ৩৭ হাজার ৪৫৩, কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫, র্যাবের ৭ হাজার ৭০০ এবং সাপোর্ট সার্ভিস হিসেবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ১৩ হাজার ৩৯০ জন সদস্য মাঠে থাকবে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন। সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ২০তম সভায় এসিদ্ধান্ত নেয়া হয়। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন,এবারের নির্বাচনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে- ড্রোনের ব্যবহার। নির্বাচনে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৪১৮টি ড্রোন ব্যবহার করবে। এর মধ্যে সেনাবাহিনী কর্তৃক ২০০টি,নৌ-বাহিনী কর্তৃক ১৬টি,বিজিবি কর্তৃক ১০০টি,বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক ৫০টি,কোস্ট গার্ডের ২০টি,র্যাবের ১৬টি ও বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ১৬টি ড্রোন পরিকল্পনা অনুযায়ী সমন্বিতভাবে ব্যবহার করা হবে। এছাড়াও নিরাপত্তা ও সুরক্ষা প্রদানের জন্য বিভিন্ন বাহিনী তাদের ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করবে। এবারের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে 'নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ-২০২৬।এর ব্যবহার যেটি ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) কর্তৃক প্রস্তুত করা হয়েছে। এর সঙ্গে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রিটার্নিং অফিসার,সহকারী রিটার্নিং অফিসারসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম যুক্ত থাকবে। এটি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও এর দ্রুত প্রতিকার বা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন,গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর থেকে চালু হওয়া অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২ অভিযানে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৯ হাজার ৮৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাছাড়া এ অভিযানে ৩৪৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২১৯১ রাউন্ড গুলি, ৭২২ রাউন্ড কার্তুজ, ৬৯৪টি দেশীয় অস্ত্র, গ্রেনেড, মর্টারের গোলা, গান পাউডার, আতশবাজি, বোমা তৈরির উপকরণ উদ্ধার করা হয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন
