বাংলাদেশ

হরমুজ প্রণালি দিয়ে ১২টি বাংলাদেশী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে

প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৬ ১১:১৭

ছবি : সংগ্রীহিত

 

বার্তা সিলেট ডেস্ক : ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার আগেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে  ১৫টি বাংলাদেশী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পোঁছেছে। এতে করে দেশেরৈ তেল ও গ্যাসের সংকট নিয়ে আর কোন আশংকা না থাকার কথা সরকারের তরফ থেকে নিশ্চত করা হয়েছে। হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর অতিক্রম করে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হওয়া ১৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে। প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দেয়ার আগেই এসব জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি পার হয়ে আসে। চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী,এসব জাহাজের মধ্যে ৪টিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি),দুটিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এবং ৯টিতে সিমেন্টশিল্পের কাঁচামাল ক্লিংকার রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টন পণ্য বহন করছে জাহাজগুলো। এর মধ্যে ১২টি জাহাজ ইতোমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে এবং বাকি ৩টি চলতি সপ্তাহে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা এবং এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় তেহরানের অবস্থানের কারণে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ঝুঁকির মুখে পড়ে। হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে ইরাক, ইরান,কাতার,কুয়েত,বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব এই সাত দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের পণ্য পরিবহন হয়ে থাকে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রণালির পাশের দেশ ওমান থেকেও  উপসাগরীয় রুটে পরিবহন ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। পারস্য উপসাগর থেকে জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে ওমান উপসাগর,আরব সাগর,ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর হয়ে বাংলাদেশে আসে।

চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী,কাতার থেকে প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামের দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। এ ছাড়া ‘সেভান’ নামে একটি এলপিজিবাহী জাহাজ আগামী রোববার বন্দরে পৌঁছার কথা রয়েছে। একইভাবে ‘আল গালায়েল’ ও ‘লুসাইল’ নামের আরও দুটি এলএনজিবাহী জাহাজ যথাক্রমে আগামী বুধবার ও সোমবার বন্দরের জলসীমায় পৌঁছাতে পারে। চারটি জাহাজে মোট প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি রয়েছে। কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে সংঘাত শুরুর দুই থেকে সাত দিন আগেই এসব জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে।

 

বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন