বাংলাদেশ

 নতুন বছরের শুরুতেই কাঁচাবাজারে স্বস্তি

প্রকাশ: ০২ জানুয়ারী ২০২৬ ১১:২২

গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ৯০ টাকা

 

 বার্তা সিলেট ডেস্ক : নতুন বছরের শুরুতেই কাঁচাবাজারে স্বস্তির হাওয়া লেগেছে। মাছ-মাংসের দামে হেরফের দেখা যায়নি। গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ৯০ টাকা। টিসিবি জানায়, গত এক মাসে চিনির দাম বেড়েছে ৫ শতাংশ। 

প্রতি প্যাকেট চিনিতে ৪-৫ টাকা লাভ থাকে। খোলা চিনি ১০০ টাকা,প্যাকেট চিনি ব্র্যান্ডভেদে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দোকানিরা জানান, চিনির দাম বাড়তে পারে। এমন আশঙ্কায় অনেকে চিনি তুলে রেখেছেন। বাজারে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে পেঁয়াজ ও আলুর দাম। নতুন আলু ও পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় কমেছে দাম।

প্রতি কেজি মুড়িকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬৫-৭০ টাকা। ১০ টাকা কমে প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬৫ টাকায়। প্রতি কেজি নতুন আলু মিলছে ১৫-২০ টাকায়।

আমদানি করা পেঁয়াজের তুলনায় নতুন দেশি পেঁয়াজের দাম কিছুটা কম। ক্রেতারা এখন নতুন পেঁয়াজই বেশি কিনছেন। একইভাবে নতুন আলুর দাম কমে গেছে। এটা খেতে সুস্বাদু। তাই পুরাতন আলু বিক্রি কমে গেছে।

সরবরাহ বাড়ায় পেঁয়াজ ও শীতকালীন সবজির দাম কমেছে। কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে অনেক সবজি। বাজার ও মানভেদে শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪৫ টাকায়, যা সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। প্রতি কেজি মূলা বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকায়। বেগুনের দর নেমেছে ৪০-৬০ টাকায়। গেল সপ্তাহের মতো মাঝারি আকারের ফুল ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০-৩০ টাকায়। শালগম ও পেঁপে কেজিপ্রতি ৩০-৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। ব্রোকলি ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে মৌসুমের বাইরে থাকা কিছু সবজির দাম ৭০-৮০ টাকা। পটোল, করলা ও ঢেঁড়স এই দামে মিলছে। একই দামে মিলছে টমেটো।

বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন