সিলেট

সুনামগঞ্জে ফসলরক্ষা বাঁধ প্রকল্প : ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে  সমাপ্তির ঘোষণা

প্রকাশ: ০৮ জানুয়ারী ২০২৬ ০৯:১০

ছবি সংগ্রীহিত

 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জে ফসলরক্ষা বাঁধ প্রকপ্লের কাজ আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে  সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছে পাউবো কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত সময়সীমার তিন সপ্তাহ পর এমন ঘোষণা দিয়েছে পাউবো। যেসব হাওরে কাজ শুরু হয়েছে তার গতি নিয়েও হতাশ কৃষকরা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, হাওরের পানি অপসারণে বিলম্ব ও পিআইসি গঠন প্রক্রিয়ায় দেরি হওয়ায় এবার জেলার তাহিরপুর, দিরাই,শাল্লাসহ বিভিন্ন উপজেলার কিছু হাওরে এখনো কাজ শুরু করা যায়নি। তবে হাওর থেকে পানি সরে যাওয়ার সাথে সাথে বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

ত্রয়োদশ নির্বাচনের দাপ্তরিক কারণে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ব্যস্ত থাকায় প্রথম দিকে বাঁধের কাজের গতিতে কিছুটা কম হলেও নির্ধারিত ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন পাউবো কর্তৃপক্ষ। বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন,২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে কাবিটা নীতিমালা অনুযায়ী সুনামগঞ্জের ১২ উপজেলার বিভিন্ন হাওরে ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য ৭০৫টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।

প্রায় সাড়ে ৫০০ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণের জন্য ১৩৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ১৫ ডিসেম্বর বাঁধের কাজ ১২ উপজেলায় উদ্বোধন হলেও হাওরে পানি নিষ্কাশনে বিলম্ব ও পিআইসি গঠনে দেরি হওয়ায় সকল বাঁধের কাজ শুরু করা যায়নি। ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৪০০টি প্রকল্পে বাঁধের কাজ শুরু হয়েছে। বাঁধের সার্বিক অগ্রগতি ১৫ ভাগ বলে জানিয়েছেন তিনি।

বাঁধের কাজ শুরু না হওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে হাওর ও কৃষকের সংগঠন হাওর বাঁচাও আন্দোলন। সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনের নেতারা জানান, নীতিমালা অনুযায়ী ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ ১৫ ডিসেম্বর শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বেশির ভাগ উপজেলায় কাজই শুরু হয়নি। তাছাড়া পিআইসি গঠনে অনিয়ম, অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পসহ রয়েছে অতিরিক্ত বরাদ্দ। নির্বাচনের দোহাই দিয়ে বাঁধের কাজে গাফিলতি করছে সংশ্লিষ্টরা। ফলে নির্ধারতি সময়ে কাজ শেষ হওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংগঠনের নেতারা। হাওর বাঁচাও আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিজন সেন রায় বলেন,এবারের বাঁধের কাজ নিয়ে আমরা খুবই শঙ্কিত। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, হাওরের পানির জন্য কাজে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে শতভাগ বাঁধের কাজ শুরু হয়ে যাবে। মনিটরিং জোরদার রয়েছে।

 

সিলেট থেকে আরো পড়ুন