সিলেট

সিলেট বিমান বন্দরে ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে নিহত আহম্মেদ আলীর লাশ

প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২৬ ০৯:৫৪

ছবি : সংগ্রীহিত

 

বার্তা সিলেট ডেস্ক : সিলেটে ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিহত প্রবাসী সালেখ ওরফে আহম্মেদ আলীর লাশ সিলেটে পৌঁছেছে। সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে লাশটি গ্রহণ করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।লাশ গ্রহণ শেষে আরিফুল হক সাংবাদিকদের বলেন,চলমান যুদ্ধে এ পর্যন্ত চারজন বাংলাদেশী নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আহম্মেদ আলীর লাশ দেশে পৌঁছেছে। বাকি তিনজন প্রবাসীর লাশ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন শেষে দেশে আনা হবে। তিনি বলেন,যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়,প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি ক্রাইসিস টিম গঠন করা হয়েছে। এ টিমের মাধ্যমে যুদ্ধের কারণে যারা ঘর থেকে বের হতে পারছেন না তাদের খাদ্য সহায়তা এবং আহতদের চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির আশপাশে অবস্থানরত প্রবাসীদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। প্রবাসীদের সঙ্কট মোকাবিলায় সরকারের পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে।

যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। প্রবাসীদের জন্য যা যা করা প্রয়োজন সরকার তা করবে। লেবাননেও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মাধ্যমে বাংলাদেশী প্রবাসীদের বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। মৃত আহম্মেদ আলীর ভাই কামাল আহমেদ প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,আমার ভাই ২৭ বছর ধরে প্রবাসে বসবাস করছিলেন। আমি মনে করি, তিনি এদেশের একজন শ্রেষ্ঠ প্রবাসী। আমার ভাই যুদ্ধে নিহত হওয়ার পর থেকে লাশ দেশে আনা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী যে সহযোগিতা করেছেন, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীও আমার ভাই নিহত হওয়ার পর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছেন এবং লাশ দেশে আনার ক্ষেত্রে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন। লাশ গ্রহণের সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন,প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্ল্যা ভূঁইয়া,ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার মো: গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া,সিলেট বিভাগীয় কমিশনার খান মো: রেজা-উন-নবী, রেঞ্জ ডিআইজি মো: মুশফেকুর রহমান,এসএমপি কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী এবং জেলা প্রশাসক মো: সারওয়ার আলম,মৃত প্রবাসীর সন্তান আব্দুল হক। পরে মন্ত্রী আহম্মেদ আলীর লাশ নিয়ে মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরশহরের গাজিটেকা গ্রামে তার গ্রামের বাড়িতে যান।

 

সিলেট থেকে আরো পড়ুন